ডিবিবেট এ বেট দেওয়ার আগে কোন ধরনের ফলাফল বা আউটকাম ধরা হচ্ছে তা জানা জরুরি। আলাদা আলাদা আউটকাম নিয়ম বোঝা থাকলে নিজের বিশ্লেষণ, অডস আর ঝুঁকির হিসাব মিলিয়ে তুলনামূলক বুদ্ধিমানের মত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
ম্যাচ ফলাফল (১এক্স২)
এখানে তিনটি অপশন থাকে: ঘরের দল জয়, ড্র, বা অতিথি দলের জয়। ফুটবল, কিছু ক্রিকেট লিগ বা অন্য দলীয় খেলায় এই আউটকাম বেশি ব্যবহৃত হয়। আপনি যে ফলাফলের উপর বেট করবেন, ম্যাচ শেষের অফিসিয়াল ফলাফল সেই দিকেই গেলে বেট জিতবে, অন্য কোন ফল হলে বেট হারবে।
ডাবল চান্স
এই ধরনে এক বেটে দুইটি সম্ভাব্য ফল একসাথে কভার করা যায়। অপশন হয় সাধারণত ১এক্স, এক্স২ বা ১২ ধরনের। উদাহরণ হিসেবে ১এক্স ধরলে, ঘরের দল জিতলে বা ড্র হলেও বেট জিতবে, কেবল অতিথি দল জিতলে হারবে। ঝুঁকি কিছুটা কম, তাই অডস সাধারণত ম্যাচ রেজাল্ট বেটের চেয়ে কম হয়।
ওভার / আন্ডার (টোটাল)
এখানে নির্দিষ্ট একটি সংখ্যার বেশি নাকি কম হবে, তা নিয়ে প্রেডিকশন করা হয়। গোল, রান, পয়েন্ট বা গেমের অন্য কোন পরিমাপিত পরিসংখ্যানকে ভিত্তি ধরা হয়। ধরুন লাইনে ২.৫ গোল ধরা হয়েছে, আপনি ওভারে বেট করলে মোট গোল ৩ বা তার বেশি হলে জিতবেন, ২ বা তার কম হলে হারবেন। আন্ডার নিলে উল্টো হিসাব প্রযোজ্য হবে।
হ্যান্ডিক্যাপ
দুই দলের শক্তির পার্থক্য ব্যালান্স করতে এখানে এক দলের স্কোরের সাথে আগে থেকে যোগ বা বিয়োগ ধরা হয়। উদাহরণ হিসেবে অতিথি দল +১.৫ হ্যান্ডিক্যাপ পেলে, বাস্তবে এক গোলে হারলেও বেটিং হিসেবে তারা জিতে যেতে পারে। আপনার বেট জিতেছে কিনা তা হিসাব করতে ম্যাচের প্রকৃত স্কোরের সাথে এই হ্যান্ডিক্যাপ মান যোগ বিয়োগ করে দেখা হয়।
উইনার / ফিউচার আউটকাম
এই ধরনে সম্পূর্ণ টুর্নামেন্ট বা লিগের মোট ফলাফল নিয়ে বেট করা হয়, যেমন কে চ্যাম্পিয়ন হবে, কোন দল টপ ফোরে থাকবে ইত্যাদি। বেট প্লেস করার সময় অডস নির্দিষ্ট থাকবে, আর প্রতিযোগিতা শেষ হলে অফিসিয়াল ফলাফলের ভিত্তিতে জয় বা পরাজয় নির্ধারিত হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা ব্যবহারকারীদের জন্য এই ধরন উপযোগী।